বাংলাদেশ, , শনিবার, ১১ জুলাই ২০২০

ছাত্রলীগ নেতা টিটু হামলার চাঞ্চল্যকর তথ্য ! সন্ত্রাসীদের অাস্তানায় পরিণত হচ্ছে শহর

  প্রকাশ : ২০১৮-০৯-১৪ ০৫:৫০:৪৭  

নিজস্ব প্রতিবেদক : সিবিএম 

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ককসবাজার জেলা শাখার উপ তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক পরিচ্ছন্ন মেধাবী ছাত্রনেতা ইফতেকারুল হাসান টিটুর উপর চিন্হিত সন্ত্রাসীরা হামলা করে।

সূত্র জানায়, বুধবার রাত ১০ টায় শহরের বাজারঘাটা এলাকায় পরিকল্পিতভাবে হামলার উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসীরা জড়ো হয়। তারা ছাত্রনেতা টিটুকে উপূর্যুপুরি এলোপাতাড়ি রড় ও ধারালো ছুরি নিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা পরিচালনা করে। হামলার পর সন্ত্রাসীরা অজ্ঞান অবস্থায় টিটুকে রেখে পালিয়ে যায়। ছাত্রনেতা ইফতেকারুল হাসান টিটুকে তারা হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করতে পারে বলে ধারনা করছে একটি মহল। মূলত গত কয়েকমাস অাগে ককসবাজার সরকারি কলেজ ও ককসবাজার শহর শিবির নেতাকর্মীরা লিংকরোড এলাকায় নাশকতার পরিকল্পনা করলে ছাত্রলীগনেতা টিটু ও তার সহকর্মীরা তাদেরকে ধাওয়া করে। তখন কয়েকজন চিন্তিত শিবির নেতা তাঁর উপর ক্রোধ দেখায়, তথা সময়ে শিবির চক্র টিটুকে হুমকি ধমকি দেয়। সেই সময় থেকে চিন্হিত শিবির সন্ত্রাসীরা টিটুকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারার পরিকল্পনা করতে থাকে। সুযোগবুঝে- গত বুধবার রাতে শিবিরের দুর্ধর্ষ ক্যাডার বাহিনি টিটুর উপর চড়াও হয়।

সূত্র অারো জানায়, অাগামী জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের অবস্থা অস্থিতিশীল করার জন্য এমন হত্যাযজ্ঞের পরিকল্পনা নেয় শিবির। তারই ধারাবাহিকতায় ককসবাজারের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার জন্য এমন বর্বর হামলা পরিচালনা করে শিবির।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন জানায়- ককসবাজার কলেজ শিবির ও শহর শিবির টিটুকে মারার জন্য অনেকদিন থেকে পরিকল্পনা করে অাসছে। গুরুতর অাহত ইফতেকারুল হাসান টিটুকে ককসবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কর্তব্যরত চিকিৎসক বলেন- রোগির সারা শরিরে জখমের চিন্হ, পায়ের অাঘাত গুরুতর হওয়ায় তাকে বিশেষ পর্যবেক্ষনে রাখা হয়েছে।

অাহত ইফতেকারুল হাসান টিটু ককসবাজার ম্যাসেজ ডট কম সিবিএমকে বলেন- গত ককসবাজার পৌরসভা নির্বাচনের অাগে শিবিরের ক্যাডার বাহিনি নাশকতা চালানোর চেষ্টা করলে অামি এবং অামার সহকর্মীরা তাদের পাকড়াও করার চেষ্টা করি। এতে তারা দলবল নিয়ে পালিয়ে যায় এবং অামাকে মারবে বলে হুমকি দেয়। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলায় একজন বঙ্গবন্ধুর অাদর্শের সৈনিক তথা জেলা ছাত্রলীগের কর্মী হয়ে জামাত শিবিরের  এমন নাশকতা কর্মকান্ড কখনো মেনে নেওয়া যায় না। তাদের নাশকতা চালানোর চেষ্টায় অামি বাধা প্রদান করায় গত বুধবার রাতে ১০-১২ জন অামার উপর হামলা করেছে। হামলাকারী শিবির সন্ত্রাসীদের প্রত্যেকের পরিচয় অামি নিশ্চিত হয়েছি। তাদের বিরুদ্ধে অাইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের প্রস্তুতি চলছে।

এদিকে ককসবাজার শহর যেন সন্ত্রাসীদের ত্রাসের রাজত্বে পরিণত হয়েছে, একেরপর এক হামলার স্বীকার হচ্ছে প্রতিনিয়ত। সাংবাদিক থেকে শুরু করে চিন্হিত সন্ত্রাসীদের হামলার স্বীকার হচ্ছে সাধারন জনগণ। পুলিশ প্রশাসনের নিরব ভূমিকা জনসাধারনের মুখে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে ককসবাজার শহর- সন্ত্রাসী ও শিবিরের ক্যাডারদের অাস্তানায় পরিণত হবে এমনটিই বলছেন সচেতন মহল।



ফেইসবুকে আমরা