বাংলাদেশ, , সোমবার, ২৫ মে ২০২০

প্রমাণে যুবলীগ চেয়ারম্যানকেও ছাড় নয়: র‌্যাব | CBM NEWS

  প্রকাশ : ২০১৯-১০-০৭ ১৪:৩৯:১৩  
অনলাইন ডেস্ক:
শুধু অর্থের উৎস নয়, অর্থ কোথায় কোথায় ডিস্ট্রিবিউট করা হতো তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর বিরুদ্ধেও অবৈধ ক্যাসিনোর সম্পৃক্ততার অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব। এমনকি ক্যাসিনোর সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা পেলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে। সম্রাট ও আরমানের গডফাদারদের খোঁজ করা হচ্ছে জানিয়ে র‌্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়, তদন্ত চলছে সম্রাটের অর্থ পাচার এবং অর্থ খরচের খাত নিয়েও।

আলোচিত ও সমালোচিত যুবলীগ নেতা সম্রাট ও সহযোগী আরমানকে গ্রেপ্তারের পরের দিন সদর দপ্তরে কথা বলেন র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক সারওয়ার বিন কাশেম। তখন প্রশ্ন আসে যুবলীগ চেয়ারম্যানকে নিয়ে।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক সারওয়ার বিন কাশেম বলেন, ‘অনৈতিক কর্মকান্ড ও ক্যাসিনো ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আছে এমন কারও নাম উঠে আসে বা রিমান্ডে স্বীকারোক্তি পাওয়া যায় তাহলে দেশের আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।’ এ সময় উঠে আসে সম্রাট প্রসঙ্গও। র‌্যাব কর্মকর্তা জানান, সম্রাটের নানান দিক সামনে রেখে তদন্ত চলছে।

সারওয়ার বিন কাশেম জানান, শুধুমাত্র অর্থের উৎস নয়, অনৈতিক কর্মকান্ড হতে পাওয়া অর্থ বিভিন্ন স্থানে ডিস্ট্রিবিউট করা হতো। সে অর্থগুলো কোথায় কার কাছে গিয়েছে সেটা জানারও একটা সুযোগ আছে আমাদের। কারা কারা সম্রাটের গডফাদার বা কে কে এসবের সঙ্গে জড়িত ছিল সে সব জানার চেষ্টা করা হচ্ছে।’ এমনকি তথ্য যাচাইয়ে সম্রাট, খালেদ ও জিকে শামীমকে মুখোমুখি করাতে পারে সংস্থাটি।

এদিকে, গ্রেপ্তারের পরের দিন সম্রাট ও তার সহযোগী আরমানের বিরুদ্ধে সোমবার রাজধানীর রমনা থানায় অস্ত্র ও মাদক আইনে মামলা দায়ের করেছে র‌্যাব। এ বিষয়ে, রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী মাইনুল ইসলাম বলেন, ‘একটি মামলা হয়েছে অস্ত্র আইনে, আরেকটি মামলা হয়েছে মাদক আইনে। এর মধ্যে, অস্ত্র আইনের মামলাটি হয়েছে সম্রাটের নামে আর মাদক মামমাটি হয়েছে সম্রাট ও আরমান দু’জনের নামেই।’



ফেইসবুকে আমরা