বাংলাদেশ, , সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২০

আবরার হত্যা: পাওয়া গেলো সিসিটিভি’র ফুটেজ | CBM NEWS

  প্রকাশ : ২০১৯-১০-০৭ ১৪:৩৪:৫৭  
অনলাইন ডেস্ক:
ফুটেজে দেখা যায়, আবরারকে আহত অবস্থায় ধরে নিয়ে যায় তিনজন। সেখানে মোট দশজনকে দেখা যায়।

বুয়েটের শের-ই বাংলা হলে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিকস ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র আবরার ফাহাদের হত্যার ঘটনার কিছু ছবি পাওয়া গেছে।

সোমবার রাতে, হত্যার ঘটনার সময়ের সিসিটিভির একটি ফুটেজ পাওয়া গেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, আবরারকে আহত অবস্থায় ধরে নিয়ে যাচ্ছে তিনজন। পেছন পেছন আরও বেশ কয়েকজনকে দেখা যায়। এসময়, সেখানে মোট দশজনকে দেখা যায়।

এদিকে, সকাল থেকেই এই ফুটেজ গায়েবের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। ফুটেজ দেখে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে আবরারের পরিবার। ছবিতে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদককেও দেখা গেছে।

এর আগে, হত্যায় জড়িত সন্দেহে ৮ ছাত্রলীগ নেতাকর্মী আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলো বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সদস্য তানভীরুল আরেফিন ইথান ও মুনতাসির আল জেমি, বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ, বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল, ক্রীড়া সম্পাদক অনিক সরকার এবং তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মেফতাহুল জিয়ন। আটক হওয়াদের মধ্যে ছয়জনের নাম পরিচয় প্রকাশ করা হয়েছে। বাকি দু’জনের বিষয়ে এখনও নিশ্চিত করে কিছু জানানো হয়নি পুলিশের পক্ষ থেকে।

রবিবার রাত ২টার দিকে বুয়েটের শের-ই-বাংলা হলের সিঁড়ি ঘর থেকে তড়িৎ কৌশল বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই হলের শিক্ষার্থীদের বরাত দিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আবরারকে সন্ধ্যা ৭টার দিকে কজন ডেকে নিয়ে যায়।পরে, রাত ২টার দিকে হলের দ্বিতীয় তলার সিঁড়িতে তার মরদেহ পাওয়া যায়।

আবারার ফাহাদ বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং (ইইই) বিভাগের লেভেল-২ এর টার্ম ১ এর ছাত্র ছিলেন। তিনি শের-ই -বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন। আবরারের বাড়ি কুষ্টিয়া শহরে।

আবরার এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ এবং বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান রাসেল একই হলে থাকতেন।



ফেইসবুকে আমরা