বাংলাদেশ, , শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২০

কক্সবাজার শহরে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত ১৫জন! সিবিএম নিউজ

  প্রকাশ : ২০১৯-০২-১৪ ২১:০৬:৩৬  

সিবিএম :

কক্সবাজার পৌর শহরের ৬ নং ওয়ার্ডের সাহিত্যিকা পল্লীতে দুর্ধর্ষ চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর জখম হয়ে আহত হয়েছে ১৫ জন।

অাজ (১৪ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী সূত্র জানা যায়, পৌর শহরের পল্লাইন্ননা কাটা ও সাহিত্যিকা পল্লী সংলগ্ন বড়বিলের চিহ্নিত সন্ত্রাসী-মাদক ব্যবসায়ী আমির খান ও আশু আলীর নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী অস্ত্র নিয়ে সাহিত্যিকা পল্লী এলাকায় ডাকাতির উদ্দেশ্যে মহড়া চালালে স্থানীয় জনসাধারণ তাদেরকে ধাওয়া দেয়। ধাওয়ার এক পর্যায়ে ডাকাতরা দিকবেদিক ছুটাছুটি করে পালাতে অক্ষম হলে জনসাধারণের উপর রামদা, ক্রিস, চাপাতি দিয়ে আঘাত করে এবং ফাঁকা গুলি বর্ষণ করে, মানুষকে লক্ষ করে গুলি চালিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।

এতে স্থানীয় জনসাধারনের প্রায় ১৫ জন শারিরিকভাবে জখম হয়ে গুরুতর আহত ও গুলিবিদ্ধ হয়।

আহতরা হলেন, সাহিত্যিকা পল্লী আব্দুস সুবহানের পুত্র নাজমুল (২৫), আব্দুল লতিফ (১৬), আমানুল্লাহ বাহুদুরের পুত্র শামসেদ (১৭), নুরুল হকের পুত্র তুহিন (২৫), মতলবের পুত্র তুহিন (১৮), নুরুল হকের পুত্র নাহিদ (১৪), শাহিন (১৯), আবু তৈয়বের পূত্র শাহাজাহান (২৮), রিফাত (২৫), সব্বির আহম্মদের পুত্র জাহেদ, সুরত আলমের পুত্র দিদার (৩০) সহ আরও ৩ জন।

আহতদের ২জনকে অাশংখাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে এবং বাকীরা বর্তমানে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।

উক্ত ঘটনায় অাহত মো: শাহজাহান মুঠোফোনে ককসবাজার মেসেজ সিবিএম নিউজকে বলেন, হামলাকারীরা বিডিঅার ক্যাম্পে পোল্ট্রি ফার্মের ব্যবসায়ী শাহিনের কাছে ১ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে, চাঁদা দিতে অস্বিকার করলে সন্ত্রাসী বাহিনী সশস্ত্রভাবে সম্পূর্ণ পরিকল্পিত হয়ে শাহিনের বাড়িতে ডাকাতির উদ্দেশ্যে হামলা চালাতে এলাকায় প্রবেশ করে। এতে সর্বমহলে জানাজানি হয়ে গেলে পালানোর উদ্দেশ্যে সন্ত্রাসীরা এলোমেলোভাবে হামলা চালায় ও গুলিবর্ষণ করে, ঘটানাস্থলে অনেকে গুলিবিদ্ধ হন। তিনি সন্ত্রাসী বাহিনিদের অবিলম্বে অাইনের অাওতায় অানার জন্য পুলিশ প্রশাসনের নিকট অাহবান করেন।

এদিকে হামলাকারী সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনীরা হলো পল্লাইন্ন্যা কাটা ও সাহিত্যিকা পল্লী সংলগ্ন বড়বিল এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী আমির খান (২২), আশু আলী (২৪), তৌহিদ (১৮), শাহজাহান (১৮), ওসামা (১৯), আরিফ (২০), আব্দুল্লাহ (২০), ও সওয়ার (২০)। এমনটাই দাবী করছেন এলাকাবাসী।

তারা প্রত্যেকে কক্সবাজার সদর থানার তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী ও একাধিক মামলার অাসামী। তাদের বিরুদ্ধে উক্ত ঘটনায় অভিযুক্ত করে মামলা প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান আহতের স্বজনরা।

কক্সবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফরিদ উদ্দিন খন্দকার তথ্য নিশ্চিত করে জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।



ফেইসবুকে আমরা